একদিনের ব্যবধানে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম; শনিবার প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১৫৭৪৬ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস স্বর্ণের এই দরপতনের সিদ্ধান্ত জানায়; ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমে হয়েছে ২৫৫৬১৭ টাকা।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিউর গোল্ড) দাম কমায় এ মূল্যহ্রাস করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুয়ায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ ৩০ জানুয়ারি প্রতিভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১৪৬৩৮ টাকা কমিয়ে ২৭১৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। দুই দিনের বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমলো ৩০৩৮৪ টাকা।
দুই দফা দাম বৃদ্ধির আগে ২৯ জানুয়ারি এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ১৬ হাজার ২১৩ টাকা। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এক ভরি সোনার দাম হয় ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা।
২০২৬ সালে ১৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ১৩ বার এবং কমেছে ৫ বার।
এদিকে স্বর্ণের দাম কমার পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও; ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪৬৭ কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪৬৭ টাকা কমিয়ে ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪০৮ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম নেমে এসেছে ৪৮৯৩ ডলারে। একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৪৩৪ ডলারের বেশি।